আমাদের অর্জন.কম
দ্বাদশ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসন মুন্সিগঞ্জ জেলা মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করেন
….. এ্যাডভোকেট সালমা হাই টুনি
দশম-একাদশ-দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হতে মনো নয়ন আবেদন ক্রয়করি । কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার
আজ্ঞাবহ হয়ে কোনো বিদ্রোহীবা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হয়ে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আমি ও আমার পরিবার নির্বাচনী কাজে ও
এজেন্ট হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করি ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও সকল জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে ধানমন্ডি ৩২ শে শৃঙ্খলা কমিটির
সদস্য হয়ে দায়িত্ব পালন করি ।
২০২৩ সালে বিভিন্ন শান্তি সমাবেশ ও বিএনপি -জামাত কর্তৃক হরতাল অবরোধ বিরোধী আন্দোলন সহ সকল
আন্দোলনে ঢাকা জজকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে , ২৩ বন্ধু অ্যাভিনিউ সহ রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করি ।
একাদশ-দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচিত চলাকালীন সময়ে বিএনপি -জামাত কর্তৃক ঢাকা শহরে গাড়ি পোড়ানো ও জ্বালাও
পোড়াও মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করি ।
২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ বাংলাদেশ মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী আসামী সালাউদ্দিন কাদের
চৌধুরী (সাকা চৌধুরী ) মামলায় তার ব্যাক্তি গত আইনজীবীকে সরিয়ে বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করে সরকার পতনের জন্য
বাংলাদেশকে অস্থিতি শীল পরিস্থিতিতে নেয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করিলে তৎকালীন সময়ে আইন,বিচার ও সংসদ
বিষয়ক মন্ত্রনালয় কর্তৃক রাষ্ট্রীয়ভাবে আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করার জন্য নিয়োজিত হই। আসামী পক্ষের সকল
হুমকি উপেক্ষা করে দ্রুত মামলার রায় প্রদানে সহযোগিতা করি ।
আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২ বাংলাদেশের তৎকালীন মাননীয় চেয়ারম্যান ও বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব ওবায়দুলদ হাসান নিজে বুদ্ধিজীবী হত্যা কান্ড মামলার বিদেশে পলাতক আসামী
আশরাফুজ্জামান খান ওরফে নায়েব আলী খান ও চৌধুরী মঈন উদ্দিনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আসামী পক্ষে মামলা
পরিচালনা করার জন্য আমাকে নিয়োগ করেন। বিদেশ থেকে উক্ত আসামী গণ আমাকে ও পরিবারকে নানা ভাবে হুমকি
প্রদান করিলে ও দেশের স্বার্থে জীবন বাজি রেখে উক্ত মামলা দ্রুত বিচার কার্য সমা প্ততে সহযোগিতা করি ।
বিএনপির খালেদা জিয়া কর্তৃক মুক্তি যোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি , শোক দিবসে জন্মদিন পালনে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে
দায়ারকৃত মামলা কেরানীগঞ্জ জেলখানার অভ্যন্তরে অবস্থিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে বিচারকার্যে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা
পরিচালনা করি ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আইসিটি পরামর্শক সজিব ওয়াজেদ জয়কে কটুক্তি , হুমকি ও হত্যা প্রচেষ্টা
মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া সহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে অংশগ্রহণ করি ।
২০০৯-১০, ২০১৩-১৫ সালে বিএনপি -জামাত কর্তৃক ঢাকা শহর সহ সারাদেশে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, গাড়ি পোড়ানো ,
গুপ্ত হত্যা বিরোধী প্রতিবাদ সভা , মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করি ও জামাত-বিএনপি নেতা মীর্জা ফখরুল, সালাউদ্দিন রিজভী ,
মীর্জা আব্বাস, আমানউল্লাহ আমান, গয়েশ্বর রায় সহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে রিমান্ড শুনানি ও জেল হাজতে
প্রেরণে রাষ্ট্রপক্ষে বিজ্ঞ মহানগর পি .পি . আবু আব্দুল্লাহ ও স্বীয় নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করি , যা বিভিন্ন টিভি ও পত্রিকায়
প্রদর্শিত হয়।
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারী সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার কর্তৃক নেত্রীর কারা বরণের সময় “শেখ হাসিনা মুক্তি
পরিষদ’’ লিফলেট বিতরণ ও নেত্রীর মুক্তি আন্দোলন সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের মামলায় সিনিয়রদের সাথে অংশগ্রহণ করি ।
২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট প্রয়াত আইনজীবী নেতা মাননী য় সাংসদ এডভোকেট সাহারা খাতুন আপার নেতৃত্বে ২৩
বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে মিছিল সহকারে উপস্থিত ছিলাম।
২০০৩ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর প্রয়াত নেতা এডভোকেট সাহারা খাতুনের নেতৃত্বে জামাত বিএনপি সরকারের কর্মকার্ম কান্ডের
প্রতিবাদ মিছিলে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক অতর্কিত ভাবে ঢাকা আইনজীবী সমিতির আওয়ামী মনা আইনজীবীদের
উপরে হামলা করলে তাদের সাথে আমি ও হামলার শিকার হয়ে আহত হই।
২০০১ সালে বিএনপি -জামাতের সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঢাকা কোর্টে আইনজীবীদের সকল মিছিল মিটিং এ
অংশগ্রহন করি ও তৎকালীন পুলিশ কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হই।
১৯৯৩-৯৬ সালের ২৩শে মার্চ পর্যন্ত প্রয়াত আইনজীবী নেতা মাননীয় সাংসদ এডভোকেট সাহারা খাতুন আপার নেতৃত্বে
অন্যান্য সিনিয়র আইনজীবী নেত্রী বৃন্দ সহিত আওয়ামী আইন ছাত্রপরিষদের নেতা হিসেবে সকল বাধা বিপত্তি মোকা বেলা
করে প্রতিটি রাজনৈতিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করি ।
১৯৮৭-৮৮ সালে সরকারি হরগঙ্গা কলেজে ও ১৯৮৯-৯০ সালে ইডেন মহিলা কলেজে শিক্ষা রত অবস্থায় স্বৈরাচা বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলাম।