০৫ জুন, ২০২১
রাজধানীতে ক্রমাগত বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়েই চলছে। যার ফলে বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে পুরো নগরী। তবে সম্প্রতি বৃষ্টিপাত ও করোনা মহামারিতে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যে বায়ুদূষণের তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। গত মে মাসে ঢাকার দশটি এলাকার মধ্যে মিরপুর-১০ এ বায়ুদূষণের হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। আর দূষণ সবচেয়ে কম ছিলো ধানমন্ডি-৩২ এ।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) এর গবেষণায় বায়ুদূষণের হার এমনটিই দেখা গেছে। তবে এপ্রিল মাসে রাজধানীর শাহবাগে বায়ুদূষণ সবচেয়ে ছিলো। আর কম ছিলো গুলশান-২ এ।
মিরপুর ও শাহবাগ এলাকা রাজধানীর ব্যস্ততম ও মিশ্র এলাকা। এখানে মেট্রোরেল প্রকল্প চলার কারণে বায়ুদূষণ বেশি বলে ওই গবেষণায় বলা হয়। এছাড়া মানুষের চলাফেরার সাথে সাথে বায়ুদূষণ কখনও কমে আবার কখনও বাড়ে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে রাজধানীতে বড় উন্নয়ন প্রকল্প মেট্রোরেল, সেবা সংস্থাগুলোর নির্মাণকাজ, রাস্তা নির্মাণ, রাস্তা পুনর্নির্মাণ ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ইত্যাদির কারণে বায়ুদূষণ হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ, পৌর বর্জ্য স্তূপাকারে রাখা ও বর্জ্য পোড়ানো, ড্রেন থেকে ময়লা তুলে রাস্তায় ফেলে রাখা, ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধুলাবালি ছড়ানো, ফিটনেসবিহীন পরিবহন থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর ধোঁয়া বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ।