সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন পেয়েছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য জীবা আমিনা খান।
দলের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে জীবা আমিনা খানকে সংরক্ষিত নারী আসনে জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকায় বিএনপি’র হাই কমান্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যায়।
মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় জীবা আমিনা খান দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। নারী উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যেতে চাই।
তিনি আরও বলেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে তিনি কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
দলের নেতাকর্মীরা জানান, জীবা আমিনা খান দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে নারী সংগঠন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকা দলের কাছে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
এদিকে, তার মনোনয়ন ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা আশা করছেন, জীবা আমিনা খান সংরক্ষিত নারী আসনে দায়িত্ব পাওয়ায় দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে নারী নেতৃত্বের বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে জীবা আমিনা খানের মনোনয়ন বিএনপির রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করছেন সংশ্লিষ্টরা।