আমাদের অর্জন ২৬ নভেম্বর ২০২৪,
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও বিএনপির সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ এস এম জিয়াউর রহমান তাকে মামলার দায় থেকে খালাস দেন।
মামলার রায়ে বিচারক বলেন, ‘জয়নুল আবদিন ফারুকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রসিকিউশন। সে জন্য এ মামলা থেকে তাকে খালাস দেওয়া হলো।’
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জয়নুল আবদিন ফারুক নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে ১৯৯৯ সালের ৯ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দুদকের পক্ষ থেকে তার পরিবারসহ সবার
সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। ৪৫ দিন সময় পেয়েও এর মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন না তিনি। জয়নুল আবদিন ফারুকের নিজের, স্ত্রী ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে অর্জিত যাবতীয়
স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দায়-দেনা আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিবরণ দাখিল না করায় ২০০০ সালের ১৯ জানুয়ারি ২০০০ সালে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম তার নামে একটি মামলা করেন।
২০০১ সালের ১৭ জুন ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক ইমদাদুল হক। ২০০৬ সালের ২৩ মার্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
পরে এ মামলা বাতিল চেয়ে জয়নুল আবেদিন ফারুক হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করলে আদালত ২০১০ সালের ১ জুন রুল জারি করেন। পাশাপাশি মামলার ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি
দুদকের করা মামলা চলবে বলে আদেশ দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন
আদালত। মামলা চলাকালে আদালতে তিন জন সাক্ষ্য দেন।
জয়নুল আবেদিন ফারুকের আইনজীবী মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগ ছিল। আদালতে তিন জন সাক্ষী দিয়েছেন। কোনও সাক্ষী তার কাছে নোটিশ পৌঁছানোর কথা বলতে পারেননি।’