করোনা মহামারির কারণে জারি করা বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হলেই ইসলামিক স্টেট তাদের ‘পূর্বপরিকল্পিত হামলাগুলো’ চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
গত ছয় মাস ধরে সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে পাওয়া গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে জাতিসংঘ এই সতর্ক বার্তা দিয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তা পরিষদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস) সহিংসতার ঢেউ দিয়ে ‘সংবাদ থেকে তার প্রান্তিককরণের অবসান ঘটাতে’ চাইবে। সম্প্রতি এই গোষ্ঠীটি সমর্থকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম সময় ব্যয় করে তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য সময় বের করার আহ্বান জানিয়েছে।
আল-কায়েদা ও আইএসের বিরুদ্ধে জারি করা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, ‘অনেক বেশি মানুষ চলাফেরার বিধিনিষিধের মধ্যে থাকায় এবং তারা অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটানোর কারণে আইএসআইএস এই বন্দি শ্রোতাদের উপভোগ করেছে। এই সময়ে হুমকিগুলি বেড়েছে, যা শনাক্ত করা যায়নি, কিন্তু যথাসময়ে এগুলো প্রকাশ পেতে পারে।’
গত অক্টোবরে আইএসের মুখপাত্র আবু হামজা আল-কুরাইশি আইএসের সমর্থকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম সময় ব্যয় করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিবর্তে তীব্র প্রভাব ফেলতে পারে এমন হামলা, জেল ভাঙ্গা ও অন্যান্য অভিযানমূলক কর্মকাণ্ডে সময় ব্যয় করতে বলেছেন।
জাতিসংঘের বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের মতো সংঘাতহীন অঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি তুলনামুলকভাবে কম। তবে যেসব এলাকায় তারা ইতোমধ্যে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত সেসব এলাকায় মহামারি তাদেরকে উল্লেখযোগ্য সুযোগ করে দিয়েছে।