উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদকের মিথ্যা মামলায় যুবদল নেতা জামিনে মুক্ত

 

কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মিথ্যা ষড়যন্ত্র মূলক মামলায় যুবদল নেতা সুমন খলিফা জামিনে মুক্ত 

২৯ জানুয়ারি ২০২৪ ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে মুক্ত হয় কাঠালিয়া উপজেলা ৩ নং আমুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক  সাধারণ সম্পাদক সুমন খলিফা ২২ শে জানুয়ারি ২০২৫ ঝালকাঠি জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হই জামিন নাম মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ জামিনে মুক্তি প্রাপ্ত হই সুমন খলিফা বলেন আমার পিতা মরহুম আব্দুল খালেক খলিফা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে ১৯৭৯ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে বিএনপি করে আসছেন। কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন আমি ২০০১ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই রাজনীতি করে আসছি ৩নং আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রী কলেজের ছাত্রদলের সভাপতি দায়িত্ব পালন করি ৩ বছর ।১৬ মার্চ ২০১৩ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে ৩নং আমুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই  ২০২৩ পর্যন্ত সততা অনুষ্ঠার সাথে দলের সকল দায়িত্ব পালন করে আসছি ২০১৮ সালে একতরাফ  আওয়ামী লীগের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সময় ঘোষেরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  খাইরুল জমাদ্দার আমাকে বিস্ফোরক মামলায় ১৩ নম্বর আসামী করেন। গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পতনের পরে ৩ নং আমুয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রধান কার্যালয় বসে বর্তমান কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির  সাধারণ সম্পাদক আমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন আমি সেই টাকা দিতে অপারগতা স্বীকার করলে প্রতিহিংসার জেরে আমাকে ২৩/১২/২০২৪ মামলার অন্তর্ভুক্ত করেন জি আর নং ৮৮২৪/ ২০২৪ বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন নিজাম নির্বহর আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে প্রতিদ্বন্দ্বি ভেবে আমাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে আমি প্রতিহিংসার শিকার কারণ একই ইউনিয়নে বাড়ি হওয়ায়  আমাকে প্রতিদ্বন্দি হিসেবে দেখছেন আমাকে এই মামলায় গায়েল করতে পারলেই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার পথ ক্লিয়ার হয় বলে মন্তব্য করেন আমার এই মামলার বিষয় ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান, বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় যুগ্ম মহাসচিব দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী বরাবর ও বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত আব্দুল আউয়াল মিন্টু,  বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহবুবুল হক নান্নু, বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *