১০০০০০/ এক লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে জমির সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেললেন মান্নান খাঁ ও তার ছেলে এলিন খা।
শুক্রবার ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ঝালকাঠি জেলাধীন রাজাপুর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামে মান্নান খা (৫৫) ও তার ছেলে এলিন খা (২৭) এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন জানা যায় তার ওয়ারিশের জমি রাখার কারণে তিনি এক লক্ষ টাকা আলাদা দাবি করেন ওয়ারিশের জমি রাখতে হলে তাকে চাঁদা দিতে হবে জমি গৃহীতা মোস্তফা কামাল জাহিদ বলেন এই জমি রাখার জন্য তার ওয়ারিশগণের সাথে বায়না পত্রের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করা হয় ওয়ারিশগণ তাদের টাকা বুঝে পেয়ে ১৬ই জানুয়ারি ২০২৫ রাজাপুর সাব রেজিস্টার অফিসে গিয়ে মোস্তফা খান, পিয়ারা বেগম, ও রোসেয়া বেগমের ওয়ারিশগণ জমি রেজিস্ট্রি করে দেয় এই জমির দলিল লেখক আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকির হোসেন মিনু তিনি ওয়ারিশগণকে টাকা হিসাব-নিকাশ করে বুঝিয়ে দেন।
তখন মান্নান খান নিজের জমি কাগজ পাতি না থাকা সত্ত্বে তার ওয়ারিশগণ দিয়ে একটা হট্টগোল বাজানোর চেষ্টা করে আসছিলেন তাদের কথা ছিল আমরা টাকা নিয়েছি কথা দিয়েছি আমরা জমি তাকেই দিব এবং জমি গৃহীতা মোস্তফা কামাল জাহিদকে ৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেন তখন মান্নান খা ওখান থেকে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করে চলে যান পরবর্তীতে ওই জমির উপর সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছিল ক্রায় সূত্রে এই জমির মালিক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জাহিদ মান্নান খা বিভিন্ন লোকের কাছে বলে আসছে আমার ওয়ারিশের জমি কিভাবে সে দখল নেয় বিষয়টি আমি দেখে নেব এবং আমাকে এক লক্ষ টাকা না দিলে সে এই জমি কোন ক্রমেই দখলে নিতে পারবে না আমার সাথে আপোষ মীমাংসা করেই এই জমি দখল নিতে হবে এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সবাই জেনে অনেক দুঃখ প্রকাশ করেন ৮ ওই জানুয়ারি জমির সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলেন তার ছেলে এলিন খান তখন মান্নান খান নিজেই দাঁড়িয়ে ছেলের মাধ্যমে জমির সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিচ্ছেন তার চাচাতো ভাই বেলায়েত হোসেন খান কে হুমকি দিয়ে আসছিলেন এক লক্ষ টাকায় চাঁদা দিতে হবে সেই টাকা থেকে ২৭ হাজার টাকা দেওয়া হয় বাকি ৭৩ হাজার টাকা না দেওয়াই জমির উপরে লাগানো সাইনবোর্ড ভেঙ্গেচুরে ফেলেন এবং বলেন আমাগো জমিতে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে বলে মিথ্যাচার রটাচ্ছেন বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।