বাংলাদেশ খেলবে না জানিয়ে আইসিবিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি

 

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কিছুটা ক্রিকেটীয় দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তা আরও বড় আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের লিগপর্বে টাইগারদের চারটি ম্যাচই পড়েছে ভারতে। সেখানে বাংলাদেশ খেলবে না জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি।

প্রথমে তিনটি বিষয়ে আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার কথা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত আইসিসির কাছে একটি দাবি জানিয়েছে বিসিবি।

আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ১৭ জন বোর্ড পরিচালক মিলে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। যেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে– ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচেই খেলবে না বাংলাদেশ। ঢাকা পোস্টকে বিসিবির শীর্ষ একজন পরিচালক এমনটাই নিশ্চিত করেছেন।

আইসিসিকে পাঠানো ই-মেইলে বিসিবি জানিয়েছে, ‘নিরাপত্তার শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল পাঠানো সম্ভব নয়।’ যে কারণে ভেন্যু সরিয়ে নিতেও আবেদন করেছে বোর্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজক শ্রীলঙ্কা। এর আগে পাকিস্তানের সঙ্গে বিরোধের জেরে তাদের সব ম্যাচই লঙ্কান ভেন্যুতে নির্ধারিত হয়েছে।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলবে। যেখানে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশ খেলবে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি নেপাল ও ইতালির সঙ্গে। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী– আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচের ভেন্যু কলকাতার ইডেন গার্ডেন। একই ভেন্যুতে পরের দুই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড ও ইতালি। শেষ ম্যাচে মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ-নেপালের ম্যাচ।

এদিকে, আইসিসিকে আগেই বিশ্বকাপের স্কোয়াড পাঠিয়েছিল বিসিবি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে টাইগারদের নেতৃত্বে প্রত্যাশিতভাবেই আছেন লিটন দাস। সাইফ হাসান তার সহ-অধিনায়ক। উইকেটকিপার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন তাদের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। ফর্মে থেকেও দলে ঢুকতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। বিপিএলের প্রথম কয়েক ম্যাচে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়ে আলোচনায় আছেন তিনি।

এ ছাড়া বল হাতে দারুণ ফর্মে রিপন মন্ডল। দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন আলিস ইসলামও। বিপিএলে ভালো করা ক্রিকেটারদের দিকেও নজর দিচ্ছেন নির্বাচকরা। সেক্ষেত্রে ঘোষিত প্রাথমিক দলে কোনো কারণ ছাড়াই পরিবর্তন আনতে পারবে বিসিবি, এজন্য সময় ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়লে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *