জয়পুরহাট সদরের আমদই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহানুর আলম সাবু (৫০)-সহ দুজনকে র্যাব ও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সেনা সদস্যকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামী হলেন একই ইউনিয়নের মীরগ্রামের আব্দুল ওহাব (৫২)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট সদরের মীরগ্রাম চৌমুহনী বাজারের একটি জায়গা নিয়ে সেনা সদস্য মীর গ্রামের সেনা সদস্য রুহুল আমীন ও প্রতিবেশি আব্দুল ওহাবের মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি উভয়ের মধ্যে মীমাংসা হয়। এ ঘটনার জের ধরে ওইদিনই আমদই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহানুর আলম সাবু লিখিত আপোষনামার কথা বলে সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে সেনা সদস্য রুহুল আমিনকে স্বাক্ষর দিতে বলেন। কিন্তু রুহুল আমিন স্বাক্ষর দিতে আপত্তি করলে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে রুহুল আমিনের চাচা মাহফুজুল হক ইউপি চেয়ারম্যান শাহানুর আলম সাবু ও আব্দুল ওহাব, হাফিজার রহমান ও নুর মোহাম্মদ খাজার বিরুদ্ধে মামলা করেন। আহত সেনা সদস্য রুহুল আমিনকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়ার সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর জাহান বলেন,‘সেনা সদস্যকে মারপিট করে গুরুতর জখম করায় তার চাচা বাদি হয়ে মামলা করলে পুলিশ ও র্যাব ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। রাতেই তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।