আমাদের অর্জনঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারি ২০২২
ইউপি সদস্য মোঃ ফারুকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কাঠালিয়া থানা আওরাবুনিয়া ২ নং ওয়ার্ডের ছোট কৈখালী গ্রামের এর সাধারণ মানুষ।
কাঠালিয়া ঝালকাঠিঃ পতিনিধি—— কাঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ফারুক এর অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ একাধিক মার্ডার মামলার আসামী যার কারণে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই এলাকায় ও এলাকার বাহিরে নানা অপকর্মের সাথে জড়িত চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ ,নানা অভিযোগে অভিযুক্ত মোঃ ফারুক বার বার পুলিশ ধরে নিয়ে যায় আইনের ফাঁকে জামিনে চলে আসে গত ১৫ জানুয়ারি ২০২২ আওরাবুনিয়া ছোট কৈখালীতে ভাইয়ের শশুর বাড়ি মৃত্যু মোঃ কালা মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ২জন প্রবাসী মেহমান তারা থাকেন বিদেশে ও তাদের বাড়ি শরিয়তপুর হওয়ায় তাদের ভয় বিতি দেখিয়ে ৩ নং ওয়ার্ডের চৌকিদার মোঃ সজিব এর সহযোগিতায় পুলিশের ভয় দেখিয়ে। ১,০০০০০ এক লক্ষ টাকা দাবি করেন মেম্বার ফারুক, নিজাম মোল্লা ও কালাম সর্দারের ২টা মোবাইল সেট,১টা হাত ঘড়ি ও নগদ ১৯,৫০০শত টাকা জোর পূর্বক নিয়ে যায়।
ইউপি সদস্য ফারুক, পরে বিষয়টি জানা জানি হলে ফারুক বলেন আমি গিয়েছিলাম মেয়ে জামাইর সাথে মামলা চলছিলো আমার কাছে অভিযোগ দিয়ে ছিলো মেয়ে কোন লিখিত অভিযোগ আছে কিনা যানতে চাইলে ফারুক বলেন না আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি, এবং মোবাইল, হাত ঘড়ি, টাকার বিষয় জানতে চাইলে অস্বীকার করেন করেন,২ নং ওয়ার্ডের চৌকিদার সিরাজুল ইসলাম জামাল বলেন বিষয়টি আমার এলাকায় আমি জানিনা আমার অজান্তেই হয়েছে, ৩ নং ওয়ার্ডের চৌকিদার সজিব বলেন আমাকে ফারুক মেম্বার ফোন দিয়ে বলেন তোমাদের আত্মীয় এসেছে শরিয়তপুর থেকে তুমি আসো যার কারণে আমি ছোট কৈখালী ২ নং ওয়ার্ডে গিয়েছিলাম।
৬ নং আওরাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিঠু সিকদার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানানেই, মৃত্যু মোঃ কালা মিয়ার ওয়াইফ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার জামাইয়ে ভগ্নিপতি ও পুত্রা এসেছিল,মেম্বার চৌকিদার ও এসেছিল এর বেশি কিছু মুখ খুলতে রাজি হননি, নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে একাধিক ব্যক্তি বলেন ফারুক এর কারণে ঠিক মত মানুষ ঘুমাতে পারেনা আতঙ্কে থাকতে হয়
দিন দুপুরে বড় দাও নিয়ে চলা ফেরা করেন কেহ ভয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়না যদিও কেহ প্রতিবাদ করে তাকে উল্টো বিপদে পরতে হয় বিষয়টি প্রশাসন জানলে ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এই ফারুক।