জমি বিক্রির নামে প্রতারণা খলিলুর রহমান ও জলিল গংদের প্রতারণার শিকার আব্দুল হাই হাওলাদারের পরিবার
ঝালকাঠি কাঠালিয়াঃ আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোট কৈখালী গ্রামের মৃত্যু আব্দুল আজিজ এর পুত্র মোঃ খলিলুর রহমান, আব্দুল জলিল, আছিয়া খাতুন ২০১৭ সালে জমি বিক্রি করবে বলে একই গ্রামের আব্দুল হাই এর পুত্র মোঃ মোস্তফা কামাল জাহিদের নিকট বাজারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে স্থানীয় মহরি আব্দুর রহমান মুন্সির মাধ্যমে তিনশত টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে লিখিত এর মাধ্যমে বায়না বাবদ ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। জমি ক্রেতার দখলে বুঝিয়ে দেয় উল্লেখ থাকে যে ভায়নার পরে তিন মাসের মধ্যে জমি রেকর্ড করে আব্দুল হাই হাওলাদার এর পরিবারকে জমি রেজিস্ট্রি করে দিবেন কিন্তু তাহা না করে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন তালবাহানা করে সময় ক্ষেপন করে আসছে বারবার বলা সত্ত্বেও জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছে না পরবর্তীতে ২০অক্টোবর ২০১৯ বিক্রয় কিত জমির উপরে রাতের অন্ধকারে ঘর তুলে খলিল গংরা বিষয়টি এলাকাবাসীকে অবাক করে দেয় যে একেমন প্রতারণা
একই এলাকায় থেকে এই ভাবে কাজ করতে পারে। কাঠালিয়া থানা কে অবহিত করলে তারা সরেজমিনে এসে সত্যতা যাচাই করেন এস আই মাহবুব এবং উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে পরের দিন কাঠালিয়া থানায় হাজির হওয়ার জন্য বলেন উভয় পক্ষ হাজির হই লিখিত কাগজ পাতি যাচাই-বাছাই করে দেখেন খলিলুর রহমান গংরা টাকাও নিয়েছে এবং উল্টো জমি জবর দখলে নিয়েছে প্রতরনা করছে খলিল গংরা তারা স্বীকার করে থানায় লিখিত দিয়ে আসছে যে আগামী দুই মাস ডিসেম্বর২০১৯ ভিতরে জমি রেজিস্ট্রি করে দিব। কিন্তু না তারা সবাই বাড়ি ছেড়ে চলে যায় চট্টগ্রামে দুই বছর পরে আসেন গ্রামে এসে বলেন জমি তো দিবোনা কিভাবে জমিনে খায় সেটা দেখব টাকাও নিয়েছে জমিও দেব না উল্টো হুমকি দিয়ে আসছে আব্দুল হাইয়ের পরিবারকে বিষয়টি একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান নকীব লিটনকে জানালে তিনি বলেন বিষয়টি আমি দেখব এবং উভয়কে নোটিশের মাধ্যমে পরিষদে ডাকেন কিন্তু খলিল গংরা কোন কিছু মানতে রাজি নন পরিষদ থেকে চলে যায় তারা আইন-কানুন চেয়ারম্যান ও স্থানীয় কোন কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না। খলিলুর রহমানের বউ মাহিনুর বেগম বলেন এই জায়গা কি করে খায় কি করে টাকা নেয় সেটা আমি দেখিয়ে দেব আমার জামাই খলিলকে প্রয়োজন হবে না। এই জায়গায় আব্দুলের হাই পরিবারের কেউ আসলে আমি নিজেই নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে সবাইকে জেলের ভাত খাওয়াবো বলে হুমকি দিয়ে আসছে। জলিলকে জমি রেজিস্ট্রির কথা বললে তিনি বলেন টাকা নিলেই কি জমিদিতে হবে দিবনা জমি কিছু করার থাকলে করেন নিরুপায় হয়ে। বিষয়টি বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ মিঠু সিকদার’কে জানানো হয়েছে তিনি বলেন আমি নোটিশ করবো দেখি কিভাবে এটা সমাধান করা যায়। অন্যদিকে ভুক্তভোগীর পরিবার টাকা দিয়ে বছরের পর বছর সমাধানের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।