জাতির উন্নয়নের সকল ভেদাভেদ ভুলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন পরিবেশ যদি শান্তিময় সম্প্রীতির দেশ গড়তে পারলেই শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে….. এফ আহমেদ খান রাজিব
বন্ধুত্বের বলায় সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের সভাপতি এফ আহমেদ খান রাজিব শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন দেশ ও জাতির উন্নয়নের সকল ভেদাভেদ ভুলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন পরিবেশ যদি শান্তিময় হয় তাহলে সকল কাজ নিষ্ফল হয় কিন্তু পরিবেশ যদি হিংসা মূলক হয় সেক্ষেত্রে সকল কাজ নিষ্ফল হয় এজন্যই সকলের মধ্য সুসম্পর্কের জন্য বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের সভাপতি হিসেবে ২০১২ সাল হতে অদ্যবধি নিজের দায়বদ্ধ থেকে এই সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছি
তিনি আরো বলেন সকল পর্যায়ের বিরোধ নিষ্পত্তিতে ও সকল অশান্তিপূর্ণ পরিবেশ শান্তিময় করতে বাংলাদেশ বন্ধু সমাজকে সাংবিধানিক বৈধতার জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করলে এই দেশটি অতি দ্রুত শান্তি ও সম্পৃক্তির বন্ধুত্বের দেশ হিসাবে মডেল সৃষ্টি হবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রীতি নির্ধারক ব্যক্তিবর্গের নিকট হিংসা মুক্ত বিশ্ব সম্প্রীতি দিবস জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপনের আহ্বান জানাচ্ছি এর এই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবছরও আমরা ২৩ শে নভেম্বর বাংলাদেশ সহ পৃথিবীবাসীকে হিংসা মুক্ত বিশ্ব সম্প্রতি দিবস উদযাপনের মাধ্যমে আহবান জানাচ্ছি প্রতি বছর ৩৬৫ দিনের মধ্যে অত্যন্ত একটা দিন মানুষের প্রকাশ্য শত্রু অভিশপ্ত ইবলিশ শয়তানকে পরাজিত করার জন্য হিংসা বর্জন করে জাতি গোত্র বর্জন সহ সকল দলের মতামতে ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বন্ধুত্ব ও উৎসব বলে মনে করেন তিনি। এ সময় তিনি বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের পক্ষ থেকে দেশে বিপদগামী মানুষকে সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড পরিহার করে সুপথে আসার আহ্বান জানান বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের পক্ষ থেকে ২০২০ সালের প্রথম ৩১শে ডিসেম্বর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ দিবস পালন করা হয় এর ধারাবাহিকতায় আগামী ৩১শে ডিসেম্বর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ দিবস ভালো কর্মের জন্য দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গকে সম্মাননা পদক উপহার দেওয়ার ঘোষণা করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন জাতীয় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের সভাপতি এফ আহমেদ খান রাজিব তার এই দীর্ঘ কর্মকান্ডের খুশি হয়ে থাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং তার পাশে থাকার প্রতার ব্যক্ত করেন।